Skip to main content

ঘরে প্রবেশ করার জন্য সালাম ও অনুমতি চাওয়া

۞ যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ কর, তখন তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ননা করেন, যাতে তোমরা বুঝে নাও।
২৪ সুরা নুর আয়াত ৬১

۞ হে মুমিনগণ, তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে (যোহরের পুর্বে) যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
তোমাদের সন্তান-সন্ততিরা যখন বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
২৪ সুরা নুর আয়াত ৫৮-৫৯

Comments

Popular posts from this blog

উনিশ তত্ব উদঘাটন ও উনিশ সংখ্যার গানিতিক কোডিং

 সুরা মুদাসসির এবং ফেরেসতার সংখ্যা উনিশ এবং উনিশ তত্ব উদঘাটন । "সেখানে (জাহান্নামে) নিয়োজিত আছে উনিশ জন ফেরেশতা। আমি ফেরেশতাদেরকে জাহান্নামের প্রহরী রেখেছি কাফিরদের পরীক্ষার জন্য আমি তাদের এই সংখ্যা উল্লেখ করেছি যাতে আহলে কিতাবের দৃঢ় বিশ্বাস জন্মে ঈমানদারদের ঈমান বর্ধিত হয় এবং বিশ্বাসীগন এবং আহলে কিতাব যেন সন্দেহ পোষন না করে । এর ফলে যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা ও কাফিররা বলবেঃ আল্লাহ এ বর্ণনা দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন ? এইভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দান করেন। তোমার প্রতিপালকের বাহীনি সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন। এই বর্ণনা তো সমস্ত মানুষের জন্য নিছক উপদেশ । (সূরা মুদ্দাসসির : ৩০,৩১) এই আয়াতে বলা হচ্ছে জাহান্নামের আগুন নিয়ন্ত্রনের জন্যে ১৯ জন ফেরেশ্তা রাখা হয়েছে। আর তাদের সংখ্যাকে কাফেরদের পরিক্ষা করার জন্য নিধারণ করা হয়েছে। একই সাথে কিতাবীদের বিশ্বাস দৃঢ় করতে আর মুমিনদের ইমান বৃদ্ধির কাজেও লাগবে । তার মানে এখানে ১৯ সংখ্যা দিয়ে আল্লাহ কিতাবীদের ঈমান বৃদ্ধি করেছেন । মিশরের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ড. রশিদ কোরআন নিয়ে এক ব্যাপক গবেষণা চালিয়...

বিপরীত শব্দ এবং সমার্থক শব্দ

বিপরীত শব্দ এবং সমার্থক শব্দ এসেছে সমান কিংবা দ্বিগুনঃ লাভ এবং ক্ষতি = ৯ বার করে এসেছে। গরম এবং ঠান্ডা = ৪ বার করে এসেছে। আশা এবং ভয় শব্দ দুটি এসেছে = ৮ বার। সুবিচার এবং অবিচার = ১৫ বার। দুনিয়া এবং আখেরাত = ১১৫ বার। উপকার এবং অপকার = ২০ বার। ফেরেশতা এবং শয়তান =৮০ বার। গন্তব্যহীন এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থল = ২৮ বার। শাস্তি-১১৭ বার, ক্ষমা- ২৩৪ (২*১১৭) বার। বিশ্বাস এবং অবিশ্বাস = ২৫ বার। গরিবী- ১৩ বার, প্রাচুর্য- ২৬ (১৩*২) বার। ধার্মিক- ৬ বার, নাস্তিক- ৩ বার। পবিত্র এবং অপবিত্র = ৭ বার, অপবিত্রতা এবং নোংরামী = ১০ বার। দয়ালু (রহমত)- ১১৪ বার। দয়াবান (রহিম)- ১১৪ বার, সদয় (রহমান)- ৫৭ বার (৫৭*২=১১৪) বার করে এসেছে। কালু (তারা বললো) এবং কুল (তুমি বল) = ৩৩২ বার। বীজ এবং চারা এবং ফল = ১৪ বার। অশ্লিলতা এবং পথভ্রষ্ট এবং সীমালংঘনকারী = ২৪ বার, পাপ = ৪৮ (২৪*২) বার। সূর্য এবং আলো = ৩৩ বার। খোলামেলা এবং জনসম্মুখে = ১৬ বার। যাদু এবং প্রলুব্ধকারী =৬০ বার। ভাষা এবং উপদেশ = ২৫ বার। ক্ষমা এবং পথ-প্রদর্শক = ৭৯ বার। ন্যায়নিষ্ট এবং পুরুস্কার = ২০ বার। যাকাত এবং আর্শিবাদ = ৩২ বার। সাত বেহেশ্ত এবং বেহেশ্ত ত...

চন্দ্র আলাদা করা হয়েছে

চাঁদ চন্দ্র আলাদা করা হয়েছে, চলুন আয়াতটি দেখে নিই, "কেয়ামত নিকটবর্তী হয়ে গেছে, চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়ে গেছে" (সুরা আল ক্বামার আয়াত ১) সুরা ক্বামার (৫৪), আয়াত ১ এ এই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে; আর এই ভবিষ্যদ্বাণী সম্পন্ন হয়েছে ১৯৬৯ সনের জুলাই ২১ তারিখ, বিকেল ৫:৫৪:১ (UTC) যখন চাঁদ থেকে চাঁদকে আলাদা করা হয় (চাঁদ থেকে ২১ কেজি চাঁদের পাথর নেওয়া হয়েছিল) বা ভাগ করা হয়েছিল, বা দ্বিখন্ডন করা হয়েছিল। এখন পৃথিবী তো আর সমতল না যে সব জায়গায় বিকেল হবে, অতএব, শুধু মিনিট আর সেকেন্ডের দিকে লক্ষ করা যেতে পারে যা কিনা সর্বত্রই এক, আর তা হচ্ছে ৫৪:১ ... আর এই ভবিষ্যদ্বাণী আমরা কুরআনের ৫৪:১ এ দেখতে পাই!! কাকতালীয় লাগবে অস্বীকারমনাদের কাছে, স্বাভাবিক। চলুন, দেখা যাক এ আয়াতের পর থেকে কুরআনের শেষ আয়াত পর্যন্ত মোট কয়টি আয়াত আছে: সুরা ৫৪ ক্বমর আয়াত ৫৪ সুরা ৫৫ রাহমান আয়াত ৭৮ সুরা ৫৬ ওয়াক্বিয়াহ আয়াত ৯৬ সুরা ৫৭ হাদীদ আয়াত ২৯ সুরা ৫৮ মুজাদিলাহ আয়াত ২২ সুরা ৫৯ হাশর আয়াত ২৪ সুরা ৬০ মুমতাহানাহ আয়াত ১৩ সুরা ৬১ স্বাফ্ আয়াত ১৪ সুরা ৬২ জুমু'আহ্ আয়াত ১১ সুরা ৬৩ মুনাফিকুন আয়াত ১১ সুরা ৬৪ তাগাবুন আয়াত ১৮ ...