Skip to main content

Posts

Showing posts with the label মোজেযা

চাদে মানুষ গিয়েছিল ?

মানুষ প্রথম চাদে পদার্পন করে ১৯৬৯ খৃষ্টাব্দে। যদিও চাদে অবতরন নিয়ে রাসিয়ানরা প্রথমদিকে সন্দিহান ছিলেন কিন্তু কেউই রাষ্ট্রিয়ভাবে ঘটনাটার মোকাবেলা করার সাহস পায়নি। প্রথম চাদে অবতরনের বছর হিসেবে ১৯৬৯ সালই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এখানে লক্ষনীয় যে ১৯৬৯ সাল হল হিজরী ১৩৮৯ সাল। কোরআনে চাদকে নিয়ে একটি সূরা আছে। ৫৪ নং সূরা; সূরা আল-ক্বামার। ক্বামার অর্থ চাদ। ১. এখন সূরা আল-ক্বামার এর প্রথম আয়াত "কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ন হয়েছে" এই আয়াতটির আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার যোগফল হয় ১৩৮৯ । যেমন "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" এই আয়াতটির আক্ষরিক মান ৭৮৬। ২. এই সূরাটির প্রথম আয়াত থেকে শুরু করে গুনে গুনে কোরআনের শেষ আয়াত পর্যন্ত গুনলে মোট আয়াত সংখ্যা হয় ১৩৮৯ টা। এই সূরার দ্বিতীয় আয়াতেই বলা হয়েছে, "এরা কোন নিদর্শন দেখলে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে এটাতো একটা চিরাচরিত (স্বাভাবিক ) ব্যাপার" (আল- কামার : ০২)। আমি জানিনা এই সূরার অবস্থান এবং এর পরবর্তি সূরাগুলোর আয়াত কাঠামো, আর এই সূরাটির প্রথম আয়াতের গঠন, কেন এভাবে চাদে অবতরনের বছরের সাথে মিলে যায়! ...

আসহাবে কাহাফ বা গুহাবাসি

আসহাবে কাহাফ বা গুহার অধিবাসিদের বর্ণনা থেকে জানা যায় ওনারা গুহার ভিতর ৩০৯ বছর ঘুমন্ত ছিল। এই গুহার অধিবাসিদের বর্ণনা আছে, কোরআনের সূরা কাহাফের ৯ থেকে ২৫ নং আয়াতে। এই আয়াত কয়টির মোট শব্দের সংখ্যা গণনা করুন্ ৩০৯ টি শব্দ পাবেন ! আল্লাহ আমাদের কুরআন নিয়ে গবেষনা করার তৌফিক দান করুন আমিন । আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা মোহাম্মাদ ওয়ালা আলে মোহাম্মাদ

সামুদ জাতি এবং লুত জাতি

কোরআনে উল্লেখিত সামুদ জাতি এবং লুত জাতি, সামুদ জাতিকে ধ্বংস করে দেয়ার ঘটনা বলতে গিয়ে কোরআন বলেছে ভয়ংকর এক শব্দের মাধ্যমে আজাবের কথা। এখানে আজাবের উপকরন "ভয়ংকর শব্দ"। আবার লুত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার কথা বলতে গিয়ে কোরআন বলছে পাথর-বৃষ্টির কথা। এখানে আজাবের উপকরণ "পাথর বা শিলা-বৃষ্টি"। আল কোরআনেঃ ভয়ংকর শব্দ ১৩ বার, সামুদ জাতি - ২৬ (১৩*২) বার করে এসেছে। পাথর বৃষ্টি ৪ বার, লুত সম্প্রদায় - ৮ (৪*২) বার করে এসেছে। লক্ষনীয় বিষয় ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতীর রিপিটেশন, ধ্বংস করার উপকরণের রিপিটেশনের দ্বিগুন। আল্লাহ আমাদের কুরআন নিয়ে গবেষনা করার তৌফিক দান করুন আমিন । আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা মোহাম্মাদ ওয়ালা আলে মোহাম্মাদ

ইরাম শহর

ইরাম শহর এর রহস্য উদঘাটন, কোরআন এ সূরা আল ফজর এর সাত নং আয়াতে ইরাম নামক একটি শহর এর ধ্বংস এর কথা বলা হয়েছে যারা সুু্উচ্চ স্তম্ভের অধিকারী ছিল । কিন্তু ইতিপুর্বে ইরাম নামক কোন শহর এর নাম পৃথিবীর ইতিহাসে খুজে পাওয়া যায় না। এজন্য ঐতিহাসিক ও তাফসিরকারকগণ ঐ শহরটির সম্বন্ধে কোন ব্যাখ্যা দিতে পারতেন না। সুরা ৮৯ ফাজর আয়াত ৬-৮ ۞ আপনি কি লক্ষ্য করেননি , আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন , ۞ যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং ۞  যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি   ১৯৭৩ সালে সিরিয়ার এরলুস নামক একটি প্রাচিন শহর খননের সময় কিছু শিলালিপি পাওয়া যায়। এ সমস্ত লিপি পর্যবেক্ষন করে সেখানে ৪০০০ বছরের পুরনো একটি সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। শিলালিপিগুলোতে উল্যেখ পাওয়া যায় ইরাম নামক একটি শহরের নাম, যে শহরের সাথে তৎকালীন এরলুস শহরের লোকজন ব্যবসা-বানিজ্য করতো। এই সত্যটা অবিস্কার হলো ১৯৭৩ সালে, এর আগে কেউ এই শহরের রহস্য জানতো না, অথচ কোরআন শহরটির কথা বলে গিয়েছে ১৪...

টুইনটাওয়ার ধ্বংস

2001 সালের 11 সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ার ধ্বংসের বেশ কয়েকমাস পরে একটা পত্রিকায় প্রকাশিত সেখানে বলা হয় কুয়েত থেকে এফ. রহমান নামক একজন গবেষক পবিত্র কুরআন গবেষণা করে দেখেছেন যে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সেই 1400 বছর আগেই কুরআন শরীফে এই ভবিষ্যদ্বাণী করে রেখেছিলে যে, 2001 সালের 11ই সেপ্টেম্বর তারিখে টুইন টাওয়ার হিসেবে পরিচিত সুউচ্চ ভবনটি ধ্বংস হবে। তার গবেষণায় সূরা আত-তাওবার 109 নম্বর আয়াতটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আয়াতটির অর্থ হল - ۞ "সুতরাং সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার ইমারতের ভিত্তি স্থাপন করে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও সন্তুষ্টির উপর, না কি সেই ব্যক্তি যে তার ইমারতের ভিত্তি স্থাপন করে কোন গর্তের কিনারায়, যা ধ্বসে পড়ার উপক্রম; অতঃপর তা তাকে নিয়ে জাহান্নামের অগ্নিগহ্বরে প্রবেশ করে ? আর আল্লাহ জালিমদের পথ দেখান না। √ এই আয়াতটির সাথে যে উক্ত ঘটনার চরিত্রগত সামঞ্জস্য রয়েছে তাই নয়, দেখা গেছে এই সূরাটির প্রথম থেকে উক্ত আয়াত পর্যন্ত মোট 2001 টি শব্দ রয়েছে যেটাকে 2001 সালের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা যায়। √ সূরাটি কুরআন শরীফের 9 নম্বর সূরা এবং এটি 11 তম পারায় অবস্থিত অপরদিকে ঘটনাটি ঘটেছিল 9 নম্বর মাসের (সেপ্...